1. Home
  2. বিশ্ব
  3. ইরানে মার্কিন স্থল আগ্রাসণ ঠেকাতে প্রস্তুত ইরানের নোহেদ ব্রিগেড
ইরানে মার্কিন স্থল আগ্রাসণ ঠেকাতে প্রস্তুত ইরানের নোহেদ ব্রিগেড

ইরানে মার্কিন স্থল আগ্রাসণ ঠেকাতে প্রস্তুত ইরানের নোহেদ ব্রিগেড

0
  • 7 hours ago,

ইরানি সেনাবাহিনীর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টারের প্রধান আমির আহমাদরেজা পোরদাস্তান জানিয়েছেন, শত্রুর যেকোনো স্থল অভিযান মোকাবিলায় তাদের স্পেশাল ফোর্সেস বা ৬৫তম ‘নোাহেদ’ ব্রিগেড সম্পূর্ণ প্রস্তুত। 

দেফা প্রেসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি চলমান ‘রমজান যুদ্ধ’ এবং আমেরিকার বর্তমান কৌশলগত অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

তিনি জানান, প্যারাসুট জাম্পিং, রেঞ্জার এবং জিম্মি উদ্ধারের মতো বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নোাহেদ ব্রিগেডের সিরিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং সীমান্তে বিদ্রোহীদের দমনের বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই স্পর্শকাতর সময়ে মার্কিন স্থলবাহিনীকে মোকাবিলা করতে তারা এবং নৌবাহিনীর কমান্ডো ইউনিট পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে পোরদাস্তান বলেন, তরুণ প্রযুক্তিবিদরা শত্রুর বিমানবাহিনীর সক্ষমতা নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে নিজেদের কৌশল পরিবর্তন করেছেন। এর ফলেই কঠিন নিষেধাজ্ঞার মাঝেও শত্রুর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো সফলভাবে ভূপাতিত করা সম্ভব হচ্ছে।

তার মতে, আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ভুল মূল্যায়ন করেছে। চলমান যুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধ দেখে মার্কিন নেতারা এতটাই বিভ্রান্ত যে, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে তারা এখন মিথ্যা পরিসংখ্যানের আশ্রয় নিচ্ছেন।

তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অহংকারী আখ্যা দিয়ে জানান, ইরান এখনও তার সামরিক সক্ষমতার বড় একটি অংশ প্রকাশই করেনি।

স্থল অভিযান ও মার্কিন ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকা কৌশলগত দিক থেকে চরম অচলাবস্থায় পড়ে এখন স্থল আক্রমণ বা ইরানের দ্বীপ দখলের মতো অপরিকল্পিত চিন্তা করছে।

প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্টের অভাবে এটি শুরুতেই ব্যর্থ হতে বাধ্য। বিশেষ করে মার্কিন ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনকে কোনো আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়া ছোট দ্বীপে মোতায়েন করা হলে তারা সহজেই ইরানি মিসাইল, সুইসাইড ড্রোন এবং দূরপাল্লার কামানের নিশানায় পরিণত হবে।

হরমুজ প্রণালী সম্পর্কে তিনি জানান, সেখানে তেলের ট্যাংকার চলাচল ৯৫ শতাংশ কমে গেলেও ইরান তা পুরোপুরি বন্ধ করার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।সাধারণ চলাচল অব্যাহত থাকলেও শত্রু ও তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য ইরান ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে।

সবশেষে আমেরিকার কাঠামোগত পতন সম্পর্কে পোরদাস্তান উল্লেখ করেন, আমেরিকা বর্তমানে যে কৌশলগত অচলাবস্থা ও পতনের মুখে পড়েছে, তা এড়াতেই তারা এলোপাতাড়ি হামলা চালাচ্ছে এবং যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিচ্ছে।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত এই দেশটি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো অচিরেই সম্পূর্ণ পতনের শিকার হয়ে ৫০টি আলাদা রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক