সামরিক পরিস্থিতি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পশ্চিম ও দক্ষিণ ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে, পাশাপাশি তেহরানের কিছু এলাকাও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। ইরান পাল্টা হিসেবে উপসাগরীয় সব দেশ ও ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
কূটনৈতিক অবস্থান ও বিভাজন: কাতার উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে, তবে সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিচ্ছে।
ইরানের অবস্থান: ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, হুমকি ও চাপ দেশটির ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করছে এবং প্রয়োজনে তারা যুদ্ধক্ষেত্রে কঠোর জবাব দেবে। তিনি আরও জানান, হরমুজ প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, তবে যারা ইরানের ভূখণ্ড লঙ্ঘন করবে তাদের জন্য নয়।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া: ইরানের বিরোধী নেতা রেজা পাহলাবি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইরানের জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা না করার আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অর্থায়নের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানও ইরানের বৈধ লক্ষ্য হতে পারে।
লেবানন ফ্রন্ট: হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। দক্ষিণ লেবাননে একটি “অপারেশনাল দুর্ঘটনায়” কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছে। (ধারণ করা হচ্ছে এরা হিজবুল্লার হামলায় আহত হয়েছে)
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানকে “সন্ত্রাসী” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। নতুন জনমত জরিপে দেখা গেছে, ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে।
সম্ভাব্য নতুন উত্তেজনা: ইসরায়েল ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম কার্যকর করতে আগ্রহী এবং ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। ট্রাম্প ইরানের হুমকির জবাবে বলেছেন: “দেখা যাক, সে ঠিক কি না।”
সৌজন্যে: সরওয়ার আলম
নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক