চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইরানের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
বড় সামরিক ও কৌশলগত পরিবর্তন: ইরাকে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে (উত্তরের কুর্দি অঞ্চল ছাড়া)।বাগদাদের ভিক্টোরিয়া ঘাঁটি থেকে সেনা সরানোর জন্য ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল।
জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা: যুদ্ধের কারণে ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন এবং বাংলাদেশ, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে তেলের ঘাটতিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চলমান হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরান ও পশ্চিম ইরানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরান পাল্টা হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইসরায়েলে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
কূটনৈতিক টানাপোড়েন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন বলে জানান। তবে ইরান এই দাবিকে অস্বীকার করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনা হয়নি।যুক্তরাষ্ট্র ৯ এপ্রিলের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে চায় বলে জানিয়েছে ইসরাইলি গণমাধ্যম।
আঞ্চলিক উত্তেজনা: ইরাকের মসুল থেকে ছোড়া রকেট উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে।ইরানের ইসফাহান ও খোররামশাহরে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হয়েছে।
রাজনৈতিক ইঙ্গিত: যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার-কে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ সমন্বয়কারী হিসেবে বিবেচনা করছে—যদিও তিনি আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
লেবানন ফ্রন্ট: হিজবুল্লাহ দাবি করছে, তারা ইসরায়েলি স্থলবাহিনীর বড় অংশকে আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং উত্তর ইসরায়েলের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
জ্বালানি বাজার: পরিশোধিত এবং অপরিশোধিত তেলের দাম সাময়িক পতনের পর আবার বাড়তে শুরু করেছে।
সৌজন্যে: সরওয়ার আলম
নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক