সোমবার (২ মার্চ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকার পদ গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি। এরপরই দলটির প্রবীণ ও নবীন নেতাদের নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়।
ডেপুটি স্পিকার পদের দৌড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর সন্তান ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন (পাবনা-১) এবং সাবেক শীর্ষ নেতা মীর কাসেম আলীর সন্তান ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমান (ঢাকা-১৪)। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী আইনজ্ঞদের এই পদে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচলন থাকায় তাদের এই সম্ভাবনা বেড়েছে বলে মনে করছে দলের একটি অংশ। তবে তাদের অপেক্ষাকৃত কম বয়স বিবেচনায় নিয়ে প্রবীণ নেতাদের নামও আলোচনায় রাখা হয়েছে।
অভিজ্ঞ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১), সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪) এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন (ঢাকা-১২)। এঁদের মধ্যে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান একাধিকবার ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং রফিকুল ইসলাম খান ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।
তবে ডেপুটি স্পিকার পদ গ্রহণের বিষয়ে জামায়াত এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা জানিয়েছেন, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকার তথা বিএনপি কতটুকু আন্তরিক, তা পর্যবেক্ষণ করছে জামায়াত।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডেপুটি স্পিকার ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলের সংসদীয় টিমের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
দলটির মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘ডেপুটি স্পিকার পদে কারো বিষয়ে এখনো কিছু ভাবেনি জামায়াত। সংসদীয় টিমের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক