৮ দিনের যুদ্ধে ইরান একবার মাত্র ডজনখানেক স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেই কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা ছাই বানিয়ে দিয়েছিল।
যদি ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি বাস্তবায়িত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সরাসরি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে পরিস্থিতি হবে ভিন্ন মাত্রার। সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন ডজন থেকে শতাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হতে পারে, যার লক্ষ্য হবে মার্কিন ব্যারাক, কমান্ড সেন্টার, সদর দপ্তর ও সামরিক অবকাঠামো।
এবার বড় তফাত যেখানে হবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কাছে ইসরায়েলের মতো বহুস্তরবিশিষ্ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই, নেই ক্ষেপণাস্ত্র-প্রতিরোধী বাংকার বা হ্যাঙ্গারও।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক ও ওমান এই সব দেশই ইরানের স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে। ফলে ইসরায়েলের তুলনায় এসব ঘাঁটির দিকে অনেক বেশি সংখ্যক ও অনিয়মিতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া ইরানের পক্ষে সম্ভব।
নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক