জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আইসিসি’র গভর্নিং বডি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যদিও করিম খান শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
২০২৪ সালের মে মাসে গাজা যুদ্ধের অপরাধের দায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এবং একই সাথে হামাসের শীর্ষ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার, ইসমাইল হানিয়াহ ও মোহাম্মদ দেইফের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলেন করিম খান।
ইসরায়েল ও হামাস—উভয় পক্ষকেই সমানভাবে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর এই নজিরবিহীন পদক্ষেপের মাত্র কয়েক সপ্তাহের মাথায় তার বিরুদ্ধে এই যৌন অসদাচরণের অভিযোগ সামনে আনা হয়।
দ্য গার্ডিয়ান ও এপি-র অনুসন্ধান অনুযায়ী, ফিলিস্তিন ইস্যুতে আইসিসির তদন্ত থামাতে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’ দীর্ঘদিন ধরে আদালতের কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি ও ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
ফলে, ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শক্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কারণেই করিম খানকে পরিকল্পিত ‘স্মিয়ার ক্যাম্পেইন’ বা চরিত্রহননের মাধ্যমে কোণঠাসা ও শেষ পর্যন্ত বরখাস্ত করা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক