1. Home
  2. খেলা
  3. ক্রিকেট
  4. পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই: সাকিব আল হাসান
পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই: সাকিব আল হাসান

পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই: সাকিব আল হাসান

0
  • 2 hours ago,

আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। তবুও আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব। দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগের প্রতিই নিবেদিত কি না- এমন প্রশ্নে সাকিবের সাফ উত্তর, “সেটাই তো হওয়ার কথা (আওয়ামী লীগে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ), তাই না? আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই, ইচ্ছা নেই এবং কোনো কালেও ছিল না। আমি এই জিনিস কখনও করিনি। ঠিক আছে? আমি যদি একটা ছোট দলেও কোনো দিন নাম লিখিয়েছি তো ওই দলের প্রতি সবসময় অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।”

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিষয়ে সাকিব বলেন, “এখন নিষিদ্ধ, তাই বলে আজীবন নিষিদ্ধ থাকবে নাকি? আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে! এটা তো মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। দেশের একটা বড় অংশকে তো দাবিয়ে রাখতে পারবেন না। হ্যাঁ, জোর করে কিছুদিন সম্ভব আটকে রাখা বা যতদিন সম্ভব দমিয়ে রাখতে পারেন। কিন্তু এটাতে আসলে দেশের কোনো উন্নতি বা রাজনীতির ভালো আছে বলে আমার মনে হয় না।”

একটা সময় আওয়ামী লীগও বিরোধী দলকে দমন করার চেষ্টা করেছে। এ প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, “এই ভুলটা যদি আমরা করে থাকি, ১০-১৫-২০ বছর আগের রাজনীতির সেই সময়ে দলের ভাবনা তো আমি জানি না, কিন্তু আমরা যদি এরকম ভুল করে থাকি, সেই ভুলেরও তো তাহলে এখন পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পরে যদি আবার অন্য কোনো দল ক্ষমতায় আসে বা আমরা আসি এবং পুনরাবৃত্তি করি, তাহলে এই খেলা তো চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এগুলো শেষ করতে হবে।”

মামলার বিষয়ে সাকিব বলেন, “আমার যেসব মামলা, দেশে এসে কিছু করার আছে বলে মনে হয় না। হ্যাঁ, দুদকের মামলায় জামিন নিতে পারি। কিন্তু দুদকের এরকম মামলা তো দেশে হাজার হাজার মানুষের আছে এবং তারা দেশে খুব ভালোভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ব্যবসা করছে, সবই করছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি দেশে ফিরবো, কোর্টে যাবো, মামলা লড়বো। কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আমার নিরাপত্তা তো দিতে হবে! এতটুক তো আশা করতেই পারি। আমি বলছি না যে, নিরাপত্তা মানে আমার জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে বা পুলিশের চারটা গাড়ি সামনে থাকবে। ওরকম তো চাচ্ছি না। তবে একটা স্বাভাবিক নিরাপত্তা তো আছে, আইনী প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত হয়রানি করবে না। ব্যাস, এতটুকুই আশা করি। সাধারণ নাগরিক হিসেবেই তো এটুকু আশা করতে পারি। হয়রানি না করার নিশ্চয়তা যদি কালকে দেওয়া হয়, পরশুই দেশে যাবো আমি।”

নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক