1. Home
  2. ধর্ম
  3. ইসলামী জীবন
  4. ২০২৬ সালের ফিতরা কত টাকা?
২০২৬ সালের ফিতরা কত টাকা?

২০২৬ সালের ফিতরা কত টাকা?

0
  • 13 hours ago,

রমযান প্রায় শেষের দিকে, আর এখনই সময় আমাদের সিয়ামের ত্রুটি-বিচ্যুতি পূরণের মাধ্যম 

সাদাকাতুল ফিতর আদায়ের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক ১৪৪৭ হিজরী (২০২৬ ইং) সালের জন্য মাথাপিছু সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এটি ফিক্সড কোনো পরিমাণ নয়। কারো সামর্থ্য অনুযায়ী সবচেয়ে উপযোগি পণ্যের হিসাবে নিজের জন্য ফিতরা ক্যালকুলেট করে নেয়া যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিতরার পরিমাণ (২০২৬): আটা/গম (১.৬৫ কেজি): ১১০ টাকা (সর্বনিম্ন), যব (৩.৩ কেজি): ৫৯৫ টাকা, কিসমিস (৩.৩ কেজি):

 ২৬৪০ টাকা, খেজুর (৩.৩ কেজি): ২৪৭৫ টাকা, পনির (৩.৩ কেজি): ২৮০৫ টাকা।

রাসূলুল্লাহ (সা) রমযানে দুহাত খুলে দান করতেন। আমরা যখন নিজের পোশাক বা কুরবানির পশুর ক্ষেত্রে সেরাটা খুঁজি, তবে ফিতরার সময় কেন শুধু সর্বনিম্নটা দেব?

যাদের সামর্থ্য সীমিত তারা আটার মূল্য হিসেবে ১১০ টাকা দিতে পারেন। যারা মধ্যবিত্ত ও স্বচ্ছল তারা যব বা খেজুরের মূল্য হিসাব করে ফিতরা দিতে পারেন। আর যারা উচ্চবিত্ত তারা পনির বা উন্নত মানের আজওয়া খেজুরের দাম হিসাব করে ফিতরা প্রদান করতে পারেন।

কারো পরিবারের ৫ জনের ফিতরা হয়তো খেজুরের দামে দেওয়া সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে ১-২ জনেরটা খেজুরের দামে আর বাকিদেরটা যব বা আটার দামে দেয়া যেতে পারে। এটা আখিরাতের জন্য বিনিয়োগ, তাই যত বেশি সম্ভব হয় আদায় করা উচিত।

আরেকটি বিষয় লক্ষণীয়, এখানে যে মূল্যের চার্ট দেয়া হয়েছে এটিই কিন্তু চূড়ান্ত নয়। বরং কারো সাধ্য অনুযায়ী একই পণ্যের ভিন্ন ভিন্ন মূল্য দিয়ে ফিতরা দেয়া যেতে  পারে।

যেমন: এখানে খেজুরের দাম ৭৫০ টাকা হিসাবে ৭৫০x৩.৩ = ২৪৭৫ টাকা ফিতরা ধার্য করা হয়েছে। কিন্তু এর চেয়ে কম দামের খেজুর আছে। আবার অনেক বেশি দামের খেজুরও আছে। তাই কোন সামর্থ্যবান ২০০০ টাকা প্রতি কেজি খেজুরের মূল্য হিসাব করে ফিতরা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ফিতরা আসবে: ২০০০x৩.৩=৬৬০০ টাকা। কম সামর্থ্য থাকলে ৪০০ টাকার খেজুর দিয়ে আদায় করা যায়, তখন মূল্য আসবে ৪০০x৩.৩ = ১৩২০ টাকা।

আসুন আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ পরিমাণে ফিতরা আদায় করি। আল্লাহ আমাদেরকে তাওফিক দান করুন। আমীন।

নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক