ফিটনেসজনিত কারণে নেইমারের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছিল শঙ্কা। তবে শেষ পর্যন্ত ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। কার্লো আনচেলত্তি ব্রাজিলের কোচ হওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেইশন।
গত সোমবার (১৮ মে) দিবাগত রাতে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর মিউজিয়াম অব টুমরোতে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সেখানে নেইমারের নামটি যখন উচ্চারিত হয়, উল্লাস আর করতালিতে ফেটে পড়ে পুরো মিলনায়তন।
বিশ্বকাপের দল ঘোষণা চলাকালীন বান্ধবী বিয়ানকার্দির সঙ্গে চাতক পাখির মতো স্ক্রিনে চোখ রেখেছিলেন নেইমার। তার নাম ঘোষণার পর দুই হাতে মুখ ঢেকে কেঁদে ফেলার আবেগঘন মুহূর্তের একটি ভিডিও নেইমার নিজেই তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি ছুটে গিয়ে ফিজিওথেরাপিস্ট রাফায়েল মার্টিনি ও ফিটনেস কোচ রিকার্ডো রোসাকে জড়িয়ে ধরেন। নেইমারের চোট পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাদের।
সান্তোস ক্লাবের সতীর্থ ও ক্লাব স্টাফদের নিয়ে আলাপকালে নেইমার বলেন, ‘আমার এখনকার অনুভূতি ব্যাখ্যা করা কঠিন। আমি এখানকার সবাইকে ধন্যবাদ দিতে চাই। (বিশ্বকাপ দলে) ডাক পাওয়াটা শুধু আমার জন্য নয়, এটা ছিল সেসব মানুষের জন্য যারা এই প্রক্রিয়ার অংশ ছিলেন। যারা মাঠে ও মাঠের বাইরে আমার সঙ্গে ছিলেন, আমাদের নিরাপত্তা, শরীর ও খাবারের খেয়াল রেখেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে কেঁদেছি, এখানে আসাটা সহজ ছিল না। আমার নাম ঘোষণার পর মনে হলো, যতকিছু (প্রতিকূলতা) পেরিয়ে এসেছি এবং এতসব প্রচেষ্টা সার্থক হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় আমার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা জানেন কত কঠিন ছিল এই যাত্রা।’
নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক