বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের মজুদ, আরও মূল্যবৃদ্ধির শঙ্কা
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের মজুদ প্রায় ২০০ মিলিয়ন ব্যারেল কমে গেছে।
এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল এনার্জি-এর হিসাব অনুযায়ী, এটি দৈনিক প্রায় ৬.৬ মিলিয়ন ব্যারেল ঘাটতির সমতুল্য। সংস্থাটির ক্রুড রিসার্চ প্রধান সতর্ক করে বলেছেন, “বাজারে একটি “নিশ্চিত ধাক্কা” আসছে এবং তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। আর বর্তমান সংকটের সবচেয়ে খারাপ অংশ এখনো সামনে রয়েছে।”
বৈশ্বিক তেলের মজুদ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংকটজনক স্তরের নিচে নেমে যেতে পারে, যার ফলে সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে দাম হঠাৎ করে আরও বেড়ে যেতে পারে।
যদিও মোট বৈশ্বিক মজুদ প্রায় ৪ বিলিয়ন ব্যারেল। এর বড় অংশ দৈনন্দিন অবকাঠামোগত ব্যবস্থাপনার (যেমন পাইপলাইনের চাপ বজায় রাখা) জন্য প্রয়োজন, তাই তা সহজে ব্যবহারযোগ্য নয়।
অনাদিকে, তাসনিম নিউজ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলায় আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কাকে আরও তীব্র করেছে। কারন এই বন্দর প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১.৭ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও তেলজাত পণ্যের রপ্তানি পরিচালনা করে।
এখানে তেল সংরক্ষণের সক্ষমতা প্রায় ১৮ মিলিয়ন ঘনমিটার, যা এটিকে একটি বড় স্টোরেজ হাবে পরিণত করেছে এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় পরিশোধিত পণ্যের বাণিজ্যিক সংরক্ষণ কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত।
নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক