পূর্ব মালির মেনাকা শহরটি ইসলামিক স্টেটের (আইএস-সাহেল) দখলে চলে গেছে। ফামা ও রুশ বাহিনী বাধ্য হয়ে শহরের বাইরের একটি সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে, বর্তমানে সেটি সম্পূর্ণ অবরোধ করে রেখেছে আইএস।
নাইজার নদীর উত্তরে পরাজয় মেনে নিয়ে লাব্বেজাঙ্গা শহর থেকেও পিছু হটেছে সরকারি ও রুশ বাহিনী। শহরটি আইএসের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে, তবে তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এফএলএ-ও এর নিয়ন্ত্রণের দাবি করেছে।
গাও এবং নাইজার নদীর পশ্চিমে অবস্থিত ইন্তাহাকা শহরটিও এফএলএ ও জেএনআইএম জোটের দখলে চলে গেছে। মালি-পন্থী তুয়ারেগ জোট ‘প্ল্যাটফর্মে’-এর একাধিক ইউনিট পক্ষ ত্যাগ করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে যোগ দিয়েছে।
জেএনআইএম যোদ্ধারা এখন কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই গাও, কোন্না এবং মোপতি শহরে অবাধে প্রবেশ ও টহল দিচ্ছে, যার ভিডিও ফুটেজও সামনে এসেছে।
এদিকে মালির রাজধানী টিম্বাকটুর বের অঞ্চলের একটি ঘাঁটি থেকে নিজেদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে এফএলএ-এর সাথে একটি ‘নিরাপদ করিডোর’ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে রাশিয়ার আফ্রিকা কর্পস।
নিউজ টুডে বিডি/নিউজ ডেস্ক